মৌখিক পরীক্ষা (Defense Guide)

১.মৌখিক পরীক্ষা: মৌখিক পরীক্ষার স্বরূপ : মৌখিক পরীক্ষা  হলো কর্মক্ষেত্রে উপযুক্ত লোক বাছাইয়ের একটি সর্বসম্মত পদ্ধতি। কর্মক্ষেত্রে উপযুক্ত ...

Showing posts with label মৌখিক পরীক্ষা. Show all posts
Showing posts with label মৌখিক পরীক্ষা. Show all posts

টিকে যাওয়া প্রার্থীদের গ্রুপিং ও নতুন চেষ্ট নাম্বার প্রদান ( ডিফেন্স গাইড)

টিকে যাওয়া প্রার্থীদের গ্রুপিং ও নতুন চেষ্ট নাম্বার প্রদান ( ডিফেন্স গাইড)
http://joinbddefense.blogspot.com/টিকে যাওয়া প্রার্থীদের গ্রুপিং ও নতুন চেষ্ট নাম্বার:
আর যারা সফল হয়েছে তাদের শুরু হবে নতুন যাত্রা। তাদের পুরানো চেস্ট নাম্বার বাতিল হয়ে গেল। নতুন চেস্ট নাম্বার দেয়া হবে। প্রতি ব্যাচে ৫টি গ্রুপ হবে। গ্রুপ সদস্য সংখ্যা সাধারণত ৭ জন থাকে। বিভিন্ন রং এর নাম গ্রুপের নামকরন করা হয়ে থাকে। যেমন, সাদা, কালো। ইত্যাদি।

 NCO-র Briefing
গ্রুপ তৈরি করার পর প্রার্থীদের সার্বক্ষণিক দেখাশুনার দায়িত্ব নিযুক্ত  প্রার্থীদেরকে দিনের অন্যান্য কর্মসূচী সম্পর্কে দীর্ঘ Brief দেবেন। পরীক্ষার্থীদের সকল কার্যাবলীর খুটিনাটি তিনি আলোচনা করবেন। মনোযোগ সহকারে তাঁর আলোচনা শোনা সঠিক হবে।
NCO-র Brief শেষ হলে রুমে ফিরে কিছুট Rest  নেয়া যাবে। অন্যথায় দীর্ঘ  Brief  শেষ হওয়ার পূর্বেই ’চা’ পানের বাঁশি পড়তে পারে।
সাইকোলজি পরীক্ষা:
চা পান শেষে নির্ধারিত পোশাক পরে লাইন করে হেঁটে হলরুমে উপস্থিত হতে হবে।
এবারে ’সাইকোলজি’ টেস্টের পালা।
সাইকোলজি টেস্টের সংগে সঙ্গেই প্রথম দিনের কার্যক্রম শেষ হবে।



Best regards,
Join BD Defense - Know Thyself
Be a Fearless Hero
http://joinbddefense.blogspot.com/
Read More

মৌখিক পরীক্ষার নমুনা

মৌখিক পরীক্ষার নমুনা
http://joinbddefense.blogspot.com/
বিসিএস ক্যাডারের একটা পদে প্রার্থী নির্বাচনে মৌখিক পরীক্ষার নমুনা:
প্রথমে পরীক্ষার্থী কক্ষে প্রবেশ করে পরীক্ষকগণের উদ্দেশ্যে সালাম দিবেন।
পরীক্ষার্থী বোর্ডের চেয়ারম্যান সালামের জবাব দিয়ে তাকে তার জন্য নির্ধারিত আসনে বসার অনুমতি দিবেন। তখন প্রার্থী তাঁর মূল সার্টিফিকেটগুলো চেয়ারম্যানের নিকট প্রদান করবেন। তারপর চেয়ারম্যান মহোদয় তাঁকে প্রশ্ন করতে শুরু করবেন।
চেয়ারম্যান : আপনার নাম কি?
প্রার্থী : আমার নাম আব্দুল্লাহ শাহরিয়ার বিজয়।
চেয়ারম্যান : বিজয় শব্দের অর্থ কি?
প্রার্থী : জয়ী।
চেয়ারম্যান :আপনার নামের প্রথম ভাগ একজন মনীষীর পিতার নামের সাথে সম্পৃক্ত। আপনি তাঁর পরিচয় জানেন কি?
প্রার্থী : জ্বী হ্যাঁ, তিনি আমদের প্রিয় নবী (সঃ) এর পিতা আব্দুল্লাহ।
চেয়ারম্যান : আমাদের প্রিয় নবী (সঃ) কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
প্রার্থী : ৫৭০ খ্রিঃ।
চেয়ারম্যান : তাঁকে মদিনা ও মক্কাবাসীরা কি নামে ডাকত?
প্রার্থী : আল-আমিন।
চেয়ারম্যান : আল-আমিন শব্দের অর্থ কি?
প্রার্থী : বিশ্বাসী।
চেয়ারম্যান : নবীজী জন্মলাভের পূর্বে সে যুগকে কি নামে অভিহিত করা হত?
প্রার্থী :আইয়ামে জাহিলিয়াত বা অজ্ঞতার যুগ।
চেয়ারম্যান : এ যুগে একজন বিখ্যাত কবি ছিলেন। আপনি তাঁর নাম জানেন কি?
প্রার্থী : জ্বী হ্যাঁ, তিনি প্রখ্যাত কবি ইমরুল কায়েস।
দ্বিতীয় পরীক্ষক:
আপনার বাড়ি কোন জেলায়?
প্রার্থী : ফরিদপুর জেলায়।
দ্বি:প্র: এই জেলায় একজন মহৎ মনীষী জন্মগ্রহণ করেছে। আপনি তাঁর নাম জানেন?
প্রার্থী : জ্বী জানি। তিনি হযরত শেখ ফরিদ (রাঃ)
দ্বি:প: এ জেলায় দু’একজন পীর মুরশিদের নাম বলবেন কি?
প্রার্থী : জ্বী, হাজী শরীয়তুল্লাহ ও পীর দুদু মিয়া।
দ্বি:প: দুদু মিয়ার আন্দোলনের নাম কি?
প্রার্থী: ফরায়েজী আন্দোলন।
দ্বি:প: এ জেলার কয়েকজন সাহিত্যিকের নাম বলবেন?
প্রর্থী : জ্বী। ড. এনামুল হক হুমায়ুন কবির, আলাওল প্রমুখ।
তৃতীয় পরীক্ষক:
আপনি কোন বিষয়ের ওপর স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায় পড়াশুনা করেছেন?
প্রার্থী: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
তৃ:প: সাহিত্যের যুগ বিভাগের ধারণার যৌক্তিকতা কতটুকু?
প্রার্থী: সাহিত্যের যুগ বিভাগের ধারণার যৌক্তিকতা বিশিষ্ট পন্ডিতদের মধ্যে যুগ বিভাগ নিয়ে মতান্তর থাকলেও সবাই যুগবিভাগের যৌক্তিকত স্বীকার করেন। আমার মতামতও তাই।
তৃ:প: চর্যাপদের বিষয়বস্তু কি ছিল?
প্রার্থী: সাধন-ভজন সংক্রান্ত।
তৃ:প: চর্যার পদকর্তারা কোন মতবাদে বিশ্বাসী ছিলেন?
প্রার্থী : সহজয় মতবাদে।
তৃ:প: চর্যাপদের অনেক বাক্য আজও প্রবাদবাক্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আপনি এর একট দৃষ্টান্ত দিবেন?
প্রার্থী: জ্বী। আপনা মাসে হরিণা বৈরী।
তৃ:প:শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন কাব্য কে লিখেছেন?
প্রার্থী:বডু– চন্ডীদাস।
তৃ:প: এর প্রধান চরিত্র কে কে?
প্রার্থী: শ্রীকৃষ্ণ, রাধা ও বড়াই।
তৃ:প:আাওলের একট গ্রন্থের নাম বলুন?
প্রার্থী:পদ্মাবতী।
তৃ:প:‘পদ্মাবতী’ গ্রন্থের কবি কে?
প্রার্থী : জায়সী।
তৃ:প: পদ্মাবতী কোন ভাষা থেকে অনূদিত?
প্রার্থী: হিন্দি।
তৃ:প: এ গ্রন্থের মূল নাম কি?
প্রার্থী: পদুমাবৎ।
তৃ:প: কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
প্রার্থী:অগ্নিবীণা।
তৃ:প:অগ্নিবীণার প্রথম কবিতা কি?
প্রার্থী:প্রলয়োল্লাস।
তৃ:প: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কবে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন?
প্রার্থী: ১৯১৩ সালে।
তৃ:প:ইংরেজ সরকার তাকে কি উপাধি দেন?
প্রার্থী: নাইট।
তৃ:প:তিমির হননের কবি কে?
প্রার্থী: জীবনানন্দ দাশ।
তৃ:প: বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত কোন ধরনের গ্রন্থ?
প্রার্থী:গবেষণামূলক।
তৃ:প: গৌড়ীয় ব্যাকরণ কে লিখেছেন?
প্রার্থী: রাম মোহন রায়।
চতুর্থ পরীক্ষক :রামমোহন রায়ের সমসাময়িক একজন সমাজ সংস্কারক ও শিক্ষাবিদের নাম বলুন।
প্রার্থী: পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
চ:প: বিদ্যাসাগর কি নিয়ে আন্দোলন করেন?
প্রার্থী:বিধবা বিবাহ নিয়ে।
চ:প: তিনি সার্থকতা লাভ করেছিলেন কি?
প্রার্থী:জ্বী হ্যাঁ।
চ:প: উপমহাদেশে কবে প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম সংঘটিত হয়?
প্রর্থী: ১৮৫৭ সালে।
চ:প:এ সংগ্রামের নাম কি?
প্রার্থী: সিপাহী বিদ্রোহ।
চ:প: মোগল সাম্রাাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে?
প্রার্থী: জহির উদ্দীন মোহাম্মদ বাবর।
চ:প: কবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সূর্য অস্তমিত যায়?
প্রার্থী: ১৭৫৭ সালের ২৩ শে জুন।
চ:প: কোথায়?
প্রার্থী: পলাশীর আম্রকাননে।
চ:প: কত তারিখে মুজিব নগর সরকার ঘোষণা করা হয়?
প্রার্থী : ১৯৭১ সালের ১৭ ই এপ্রিল।
চ:প: মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
প্রার্থী: সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
চেয়ারম্যান: আলান্টা অলিম্পিকে কোন দেশে বেশি স্বর্ণপদক পায়?
প্রার্থী: যুক্তরাষ্ট্র।
চেয়ারম্যান: সার্কের সচিবালয় কোথায়?
প্রর্থী:কাঠমুন্ডুতে।
চেয়ারম্যান:সার্কের পরবর্তী শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
প্রাথী: নেপালে।
চেয়ারম্যান : পুশইন সম্পর্কে আপনার মন্তব্য কি?
প্রার্থী: অমানবিক অবন্ধুসুলভ এবং ক্ষমতার দাপটে পড়শী দেশকে কাবু করা।

চেয়ারম্যান:আপনি আসুন। আপনাকে ধন্যবাদ।
প্রার্থী: আপনাদেরও ধন্যবাদ। আসসালামু আলাইকুম।

Best regards,
Md Hridoy Hossain
Blogger

Join BD Defense - Know Thyself
Be a Fearless Hero
hridoythebest5@gmail.com
http://joinbddefense.blogspot.com/
Read More

পরীক্ষার্থীর গুণাবলী:

পরীক্ষার্থীর গুণাবলী:
পরীক্ষার্থীর গুণাবলী: 
মৌখিক পরীক্ষায় শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কোন বিষয়ের ওপর পরীক্ষার্থীর জ্ঞানের পরিমাপ করা হয় না বরং পরীক্ষার্থী সম্বন্ধে আরো ব্যাপক তথ্য সংগ্রহ করা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষার ফলাফলের সাথে মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত তথ্যগুলো একত্রিত করে প্রার্থীর যোগ্যতার একটি তালিকা তৈরি করা হয়ে থাকে। লিখিত পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী পরীক্ষকের সামনে থাকে না বলে লিখিত পরীক্ষার ফল থেকে তার সম্মন্ধে বিষয়বস্তুর জ্ঞান ছাড়া অন্য কোন তথ্য জানা সম্ভব হয় না। এ কারণে পরীক্ষার্থী সম্মন্ধে ব্যাপক তথ্য জানা ও দেখার উদ্দেশ্যে মৌখিক পরীক্ষা নেয়া হয়ে থাকে। এ কারণে একজন প্রার্থীর জন্য মৌখিক পরীক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ পরীক্ষার মাধ্যমেই যেহেতু সে নিজেকে প্রকাশ করার সুযোগ বেশি পরিমাণ পায়, তাই এক্ষেত্রে তার গুণাবলী উপস্থাপনের জন্য তাকে তৎপর থাকতে হয়। যদিও বিভিন্ন পরীক্ষার জন্য বিভিন্ন গুণাবলীর প্রয়োজন হয়, তবুও সাধারণত কতগুলো গুণ প্রায় সব চাকুরীর জন্যই প্রয়োজন হয়। এসব গুণাবলীর মধ্যে অন্যতম গুণাবলী হলো:
১.    শারীরিক গঠন: মৌখিক পরীক্ষার সময় পরীক্ষকগণ একজন প্রার্থীকে সরাসরি দেখার সুযোগ পান বলে তাঁরা প্রার্থীর শারীরিক গঠন ও দৈহিক সুস্থতা যাচাই করে থাকে।
একারণে একজন পরীক্ষার্থীর যথাযথ শারীরিক গঠন ও দৈহিক সুস্থতা একান্ত আবশ্যক।
২.আচার ব্যবহার : মৌখিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর উত্তরদান ও কথোপকথনের মাধ্যমে তার সাধারণ ব্যবহার পরিমাপ করা হয়। তাই অনেক সময় পরীক্ষার্থীর সৌজন্যমূলক বা অসৌজন্যমূলক ব্যবহার তার সাফল্য বা বিফলতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সে কারণে সংযত, শালীন, বিনয় আচার-ব্যবহার পরিমাপ করা হয়।
৩.বুদ্ধি : মৌখিক পরীক্ষায় সাফল্য অর্জনের জন্য বুদ্ধির পরিমাণ একটা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সাধারণত একজন প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতাই তার বুদ্ধির প্রকাশ। তবে কথোপকথনের মাধ্যমে প্রার্থীর আচার-ব্যবহার, প্রতিযোজনের ক্ষমতা প্রবৃতি সম্মন্ধে অনেক কিছু জানতে পারা যায়। কোন বিশেষ প্রশ্নের উত্তরে প্রার্থী কিভাবে যুক্তি প্রদর্শন করে বা কি সিদ্ধান্তে উপনীত হয় তা থেকে তার বুদ্ধির পরিচয় পাওয়া যায়। তার যুক্তিগুলো কতটা পরিপক্ক জ্ঞানের বিকাশ পরীক্ষক তা যথাযথভাবে বিশ্লেষণ করে প্রার্থীর বুদ্ধির পরিমাণ স্থির করতে পারেন।
৪.সামাজিক প্রতিযোজনের ক্ষমতা: পরীক্ষকগণ পরীক্ষার্থী কর্তৃক উপস্থাপিত যাবতীয় তথ্যাবলী থেকে তার সামাজিক প্রতিযোজনের ক্ষমতা , সহযোগিতা সম্পর্কে ধারণা করতে চেষ্টা করেন। পরীক্ষকগণ দেখতে চান পরীক্ষার্থী স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে কোন গ্রুপ বা দলে স্থান বেছে নিয়ে নিজের সত্তাকে প্রদর্শন করতে পেরেছে কিনা। সে কখনও কোন রকম নেতৃত্ব দিতে পেরেছে কিনা, কোন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছে কিনা। বয়স্কাউট বা রোভার স্কাউট ছিল কিনা বা অন্যান্য ছাত্রদের সাথে মিশতে বা আলাপচারিতা জমাতে পছন্দ করে কিনা ইত্যাদি। এসব কিছু পর্যবেক্ষণ করে একজন প্রার্থীর সামাজিক প্রতিযোজনের ক্ষমতা যাচাই করা হয়ে থাকে।
৫. নিজের প্রতি মনোভাব : প্রার্থী নিজের প্রতি কিরূপ মনোভাব পোষণ করে পরীক্ষকগণ তা পর্যবেক্ষণ করে থাকেন। গভীর বিবেচনার সাথে পরীক্ষকগণ পরীক্ষার্থীর নিজের প্রতি ধারণা বাস্তবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা তা যাচাই করে থাকে।
এক্ষেত্রে অনেক সময় পরীক্ষকগণ পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ জীবনের লক্ষ্য সম্মন্ধে জানতে চান। পরীক্ষার্থী যে চাকুরীর জন্য পরীক্ষা দিচ্ছে তাতে তার প্রকৃত আগ্রহ আছে কিনা তা জানতে চান। তার কি পছন্দ, কি অপছন্দ তা জানতে চান। তার কোন প্রিয় ব্যক্তিত্ব আছে কিনা, কোন বিশেষ মতবাদে সে বিশ্বাসী কিনা ইত্যাদি সম্পর্কেও পরীক্ষকগণ জানতে চান। আর এসবের মাধ্যমে পরীক্ষকগণ প্রার্থীর মনোভাব যাচাই করে থাকেন।
৬. কর্তৃপক্ষের প্রতি মনোভাব: অনেক পদে নিয়োগের জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি প্রার্থীর মনোভাব যাচাই করা হয়ে থাকে। প্রার্থীর বাড়ির অবস্থা কেমন, পিতামাতার সাথে তার কেমন সম্পর্ক, বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয় পরিজনের সাথে তার কোন নিবিড়তা, তার পরিবারে কোন অশান্তি আছে কিনা, সে কোন মনোকষ্টে ভোগে কিনা, জীবনে তাকে অমানবিক কষ্ট সইতে হয়েছে কিনা ইত্যাদি তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তার বর্তমান সম্পর্কে আরো বেশি তথ্য সংগ্রহ করা যেতে পারে। এবং এসবের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষের প্রতি তার মনোভাব পরীক্ষা করা যায়।
৭.আবেগের স্থিরতা : একজন প্রার্থীর আবেগের স্থিরতা নির্ণয়ের জন্য প্রার্থী অতীতে কিভাবে প্রতিকূল অবস্থা সত্ত্বেও সাফল্য লাভ করতে সক্ষম হয়েছে তা যাচাই করা হয়ে থাকে। প্রার্থীর পরীক্ষায় কৃতকার্যতা বা অকৃতকার্যতা অর্থনৈতিক সচ্ছলতা বা অস্চছলতা, পারিবারিক সমস্যা প্রভৃতি অবস্থায় প্রার্থী কি ব্যবহার করেছে তা আবেগের স্থিরতা নির্দেশক।
৮. অধ্যবসায় : পরীক্ষার্থী তার নিজের বিশ্বাস ও নীতি বা মতবাদকে বাস্তবায়নের জন্য প্রতিকূলতা সত্ত্বেও কর্তব্য কর্ম করে যেতে সক্ষম কিনা, সে অধ্যবসায়ী কিনা তা প্রার্থীর অভিজ্ঞতা থেকে ধারণা করতে পরীক্ষকগণ চেষ্টা করেন।
৯.প্রেরণা : ভাল কাজের উত্তম ফললাভ করার পর পরীক্ষার্থী অনুপ্রাণিত হন কিনা, কিংবা নিজ উদ্যোগ বা কাজের প্রশংসা পেয়ে তার মধ্যে স্পন্দন জাগে কিনা বা কোন ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি নতুন উদ্যমে কাজ করেন কিনা ইত্যাদি পরীক্ষকগণ যাচাই করে থাকেন।
১০.চিন্তাধারার সুস্থতা : নিজের প্রতি, পরিবার ও সমাজের প্রতি, দেশ ও দশের প্রতি স্রষ্টা ও সৃষ্টির প্রতি তার কি চিন্তা চেতনা এবং জীবন ও জগত সম্পর্কে তার কি মনোভাব এবং এসব চিন্তা চেতনায় সুস্থতা বজায় আছে কিনা তা পরীক্ষকগণ গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে থাকেন।
১১. প্রকাশ ভঙ্গি : নিজেকে , নিজের মনন, মেধা-প্রতিভা ও বুদ্ধিমত্তাকে প্রার্থী কতটা পারঙ্গমতার সাথে উপস্থাপন করতে পারে তা পরীক্ষকগণ বিচার করে থাকে।
১২.দায়িত্ববোধ: নিজের ওপর অর্পিত যাবতীয় দায়িত্ব পালনে প্রার্থী কতটুকু আন্তরিক বিভিন্ন উপায়ে পরীক্ষকগণ তা যাচাই করে থাকেন।
১৩.আত্মবিশ্বাস : জীবন যুদ্ধে প্রার্থী কতটুকু সফল বা আস্থাশীল কিংবা নিজের আকাঙ্খাকে বাস্তবায়নে প্রার্থী কতটুকু আত্মবিশ্বাসী তা পরীক্ষকগণ যাচাই করে থাকে।
১৪.প্রফুল্লতা : প্রার্থীর যাবতীয় কর্মে সজীবতা, স্বচ্ছতা বা আনন্দিত প্রফুল্লতা আছে কিনা পরীক্ষকগণ তাও যাচাই করে থাকেন।
১৫.সংযম : কোন বিপদ-আপদে বা দায়িত্ব ও কর্তব্য, পালনের ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থী সংযমের পরিচয় দেন কিনা পরীক্ষকগণ তাও লক্ষ্য করে থাকেন।
১৬.সাহস: কর্তব্য পালনে, কোন উদ্যোগ নিতে কিংবা কোন কর্মসূচী বাস্তবায়নে পরীক্ষার্থী সাহস ও দৃঢতা পোষণ করেন কিনা পরীক্ষকগণ তা যাচাই করে থাকেন।
১৭.প্রশাসনিক ক্ষমতা : প্রার্থীর প্রশাসনিক ক্ষমতা কেমন তা যাচাই করার জন্য পরীক্ষগণ পরীক্ষার্থীর জীবনের কর্মধারা বিশ্লেষণ করে থাকেন।

http://joinbddefense.blogspot.com/search/label/%E0%A6%AE%E0%A7%8C%E0%A6%96%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE

১৮. নেতৃত্বদানের ক্ষমতা : ভবিষ্যতের কর্মপন্থা নির্ধারণ করা, কোন কাজ শুরু করার উদ্যম গ্রহণ করা, নিম্ন পদস্থ কর্মচারীর ও কর্মকর্তাদের কাজকর্ম সুষ্ঠুভাবে বন্টন করে সমঝোতা সৃষ্টি করা, সাধারনভাবে নেতৃত্ব দেয়া, কোন কাজ ঠিকভাবে তদারক করা ইত্যাদির মাধ্যমে একজন প্রার্থীর নেতৃত্বদানের ক্ষমতা যাচাই করা হয়ে থাকে।






"Md Hridoy Hossain"
Join BD Defense - Know Thyself
Be a Fearless Hero
http://joinbddefense.blogspot.com/

Read More

মৌখিক পরীক্ষার্থীর কর্তব্য (Defense Guide)

   মৌখিক পরীক্ষার্থীর কর্তব্য (Defense Guide)

মৌখিক পরীক্ষার্থীর কর্তব্য : 
 মৌখিক পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা বোর্ডে তার ওপর অর্পিত যাবতীয় কর্তব্যাদি পালনের জন্য মনোবল ধৈর্য ধরে সতর্ক থাকতে হবে-যেন  তিনি এমন ভুল উত্তর না দেন বা ত্রটিপূর্ণ আচরন না করেন যাতে পরীক্ষকগণ তার প্রতি বিরূপ ধারণা পোষণ করেন। পরীক্ষার্থী যদি প্রথমে একটি সাধারণ প্রশ্নের ভুল উত্তর দেন তবে পরীক্ষকগণ হয়ত তাকে আর কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস না করে বিদায় করে দিতে পারেন। অনেক ক্ষেত্রে এমনও দেখা যায় যে, পরীক্ষার্থী প্রথম প্রশ্নটির যুক্তি অর্থপূর্ণ সঠিক উত্তর দেয়ায় পরীক্ষকগণ তার সমন্ধে অনুকূল ধারণা পোষণ করে ফেলেন এবং তিনি পরবর্তী প্রশ্নগুলোর সন্তোষজনক উত্তর দিয়ে সফলতা লাভ করেন। প্রকৃত পক্ষে আজকাল শুধু পুথিঁগত বা গ্রন্থগত বিদ্যা অর্জন করলে চলে না, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিজের যোগ্যতার স্বাক্ষর উৎকীর্ণ করতে হলে বর্তমান বিশ্বে যে সব গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে চলেছে যা নিজ দেশের মধ্যে যে সব উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটে চলেছে যা পরিবর্তন হচ্ছে সে সম্পর্কে পরীক্ষার্থীর সম্যক ধারণা থাকা একান্ত জরুরী। মূলত একজন শিক্ষিত কর্মচারী বা পদস্থ ব্যক্তির এমন জ্ঞান বা তথ্য তত্ত্ব সম্পর্কে ধারণা থাকা উচিত যা তার বাস্তব জীবনে চলার পথে আলোকবর্তিকারূপে কাজ করে।
ধন্যবাদ টিউনটি পড়ার জন্য। নতুন নতুন বিষয়ে জানতে সাইটিতে নিয়মিত ভিজিট করুন।

আপনাদের কোন বিষয়ে জানার থাকলে কমেন্ট করে জানাবেন। ধন্যবাদ সবাইকে







Join BD Defense - Know Thyself
Be a Fearless Hero
http://joinbddefense.blogspot.com/
Read More